মেনু নির্বাচন করুন

বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ

 

কাজী জাফর আহমেদ :

 

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। ইনি এরশাদ সরকারের সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৬২-১৯৬৩ সালে অবিভক্ত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (এপসু) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬২ সালে শরীফ শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ছাত্রজীবন শেষে শ্রমিক আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৬৭-১৯৮৫ সাল পর্যন্ত বাংলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি, ১৯৭২-১৯৭৪ সালে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭৪-১৯৮৬ সালে তিনি ইউনাইটেড পিপলস্ পার্টির (ইউপিপি) সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রী পরিষদের শিক্ষামন্ত্রী হন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির জন্মলগ্ন থেকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬-১৯৯০ সালে জাতীয় পার্টির সরকারে পর্যায়ক্রমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বন্দর-জাহাজ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।  
পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির রাজনৈতিক উপদেষ্টা, ১৯৮৯-১৯৯০ সালে বাংলাদেশের অষ্টম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬-১৯৮৯ সালে জাতীয় পার্টির সংসদীয় দলের উপনেতা, ১৯৮৯-১৯৯০ সালে জাতীয় পার্টির সংসদীয় দলের নেতা ছিলেন। ১৯৮৬-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পরপর তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানেও রাজনৈতিক অঙ্গণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে চলেছেন কাজী জাফর। পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলন ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশ গঠনে কাজী জাফর আহমদের ভূমিকা অনবদ্য। আন্তর্জাতিক পরিসরেও কাজী জাফর আহমদের রয়েছে পরিচিতি। ১৯৭৮ সালে তিনি এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় শিক্ষামন্ত্রী সম্মেলনে সহ-সভাপতি, ১৯৭৭-১৯৮৬ সালে আন্তর্জাতিক ও স্বনির্ভর ইনস্টিটিউট (জুচে) এর পরিচালক, ১৯৮৬ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এসকাপ ট্রেড মিনিস্টারস্ সম্মেলনের চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৭-১৯৮৮ সালে এশীয় ৭৭ জাতি মন্ত্রিপরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ব্যক্তি জীবনে কাজী জাফর আহমদ তিন মেয়ের জনক। তারা সকলেই স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।